valobasi bangladesh

নাগরিক দ্বায়বদ্ধতা থেকে হোক নাগরিক সাংবাদিকতা

বিজ্ঞাপন প্লেইস

Responsive Ads Here
মুক্তমত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
মুক্তমত লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, ২৮ জুলাই, ২০১৯

একটি সদ্যজাত মেয়ে বাচ্চার চিঠি বাংলাদেশের কাছে - লেখক হৌমন্তী

একটি সদ্যজাত মেয়ে বাচ্চার চিঠি বাংলাদেশের কাছে

প্রিয় বাংলাদেশ
আমি মাত্রই জন্ম নিলাম তোমার বুকে। হাত পা গুলো নারাচ্ছি আর চারপাশটা দেখতছি চোখ পিটপিট করে। পাশেই শুয়ে আছে আমার মা, আর ভাবছে আমি আমার মেয়েকে কি সর্বোচ্চ সুরক্ষা কি দিতে পারবো। আমি কি পারবো আমার সোনামনিকে হায়নাদের ছোবল থেকে রক্ষা করতে।

অন্য দিকে আমি ভাবছি আমার বাবা, কাকা, মামা, পারাতো ভাই, স্যার, হুজুর এদের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করার সময় আমি কি আমার মাকে পাশে পাবো? নাকি তাকেও হারাতে হবে তোমার মতো? বাংলাদেশ এই প্রশ্নটা আমি তোমাকে করছি একজন নাগরিক হিসাবে।এই প্রশ্নটা আমি তোমাকে করতেই  পারি।
ইতি
সদ্যজাত আমি

শনিবার, ২৭ জুলাই, ২০১৯

মেয়ে যে কতটা লজ্জিত হয় সমাজে তা আজ নাই বলি...নাগরিক সাংবাদিক মিজান আল মাখতুম

মেয়ে যে কতটা লজ্জিত হয় সমাজে তা আজ নাই বলি

#মেয়েরা সবচেয়ে বিব্রত পরিস্থিতিতে পড়ে কখন জানেন?
যখন ছেলেপক্ষ মেয়েকে দেখতে আসে।
ছেলে পক্ষ আসার আগেই বাড়ির ভাবি , মা , খালা রা বলে দেয়
তোকে জিজ্ঞেস করলে উত্তর দিবি শুধু যা যা করতে বলবে সুন্দর ভাবে করবি। কোন ভুল করবি না। এমন ছেলে পাওয়া যায়না সচরাচর।
ছেলে এবং ছেলের পরিবারের চৌদ্দগুষ্টির পছন্দ না হলে কিন্তু বিয়ে হবে না।

মেয়ে পক্ষের পরিবারের অবস্থা যদি ভালো থাকে আর যদি মেয়ে একটু সুন্দর হয় তো একটু প্লাসপয়েন্ট আর যদি শ্যামবর্নের হয় , পরিবারের অবস্থা ভালো না থাকে তো মেয়ের বাবার আর মেয়ের উপর দিয়ে যে কী যায় তা বলার বাহিরে।
শ্যম বর্নের হলে সারা জীবন শুনতে হয়
"কেন যে তোমার সাথে ছেলের বিয়ে দিয়েছিলাম , চাইলে আরও ভালো মেয়ে , সুন্দর মেয়ে আনতে পারতাম।

ছেলে পক্ষ হাজারো উদ্ভট প্রশ্নবাণে জর্জরিত করে তোলে মেয়েকে।
ছেলে পক্ষের যদি পাঁচ জন আসে তো একে একে পাঁচ জনই একই প্রশ্ন করার আগ পর্যন্ত শান্তি হয় না।
কী নাম , বাবার নাম , মায়ের নাম , দাদার নাম , পরদাদার নাম সব গুষ্টির নাম জানতে চায়।
নাগরিক সাংবাদিক মিজান আল মাখতুম
নাগরিক সাংবাদিক মিজান আল মাখতুম
নামের পর্বের পর আসে গুনের পর্ব।
মা তুমি কী রান্না করতে পারো?
নাচতে পারো ?
গাইতে পারো ? একটু হেটে দেখাও তো।
চুল কীভাবে বাধ।
ছেলে তো সারাদিন বাইরে থাকবে সবার সাথে কী মিলে থাকতে পারবে?

কিন্তু মেয়েকে একটা প্রশ্নও করতে দেয় না।
মেয়ের কী ছেলেকে পছন্দ হয়েছে তা জানতে চায় না। ছেলে কী নিজের কাপড় নিজে ধুতে পারে কী না তা জানতে দেয় না।
ছেলে কী লিখতে পারে ?
তার কী বদঅভ্যাস আছে ?
কতজনের সাথে প্রেম করেছে তা জানতে দেয় না। মোটকথা ছেলের কোনকিছু সম্পর্কেও জানতে দেয় না।

মেয়ে পরিবারের হাজার সমস্যা থাকলেও ছেলে পক্ষের সর্বোচ্চ আপ্পায়ন করে। তবুও বের হবার সময় বলে "তরকারিতে লবন আর একটু হলে আরও ভালো লাগতো"

মানে হাজারো ভালো কিছু করলেও একটু খুত ধরবেই।
কেন ধরবে জানেন মেয়ে পক্ষের কাছে নিজেকে একটু সুপিরিয়র প্রমান করার জন্য।
কিন্তু নিজেদের হাজারো ভুল থাকলেও তা প্রকাশ করতে দিবে না।

যদি মেয়েকে পছন্দ হয়েই যায় তবে দেনাপাওনার পর্বে আসে।
তখন বলে
"আসবাবপত্র , ভরি দশেক স্বর্ন , মোটরবাইক এসব দিতেই হবে। মেয়ে তো আপনারই এসব দিলে মেয়েই সুখী থাকবে তার কোন সমস্যা হবে না। আর এসব তো আপনার মেয়েরই থাকবে আমাদের তো হবে না। "
"আর বিয়ের দিন ৪০০-৫০০ লোক খাওয়াতে হবে কিন্তু তারা তো প্রতিদিন আসবে না একদিনই আসবে। যত ভালো আপ্যায়ন করবেন তত প্রশংসা করবে আপনারই। আমাদের তো এখানে কিছুই নেই। "

"তবে আপনারা বৌভাতে কিন্তু ২০ জনের বেশি যাবেন না। কারন ঐদিকেও তো অনেক লোক থাকবে তাই না? সব দিকই তো দেখতে হবে।"

এসব দিতে পারলে মেয়ের জীবন সুখী আর না দিতে পারলে বিয়ের পর মেয়ের জীবন জাহান্নাম হয়ে যায়।

মোটকথা নিজের ষোল আনা মেয়ের বাবার একআনা তবুও পুরো এক আনাও না।
মোটকথা একটি মেয়েকে বিয়ে দিতে একটি বাবাকে যে কী পরিমান কষ্ট করতে হয় তা বলার বাইরে।
আর মেয়ে যে কতটা লজ্জিত হয় সমাজে তা আজ নাই বলি।
বর্তমানে যৌতুক কাগজে কলমে নেই তবে যৌতুক অন্যদিকে ঠিকই আদায় করে নেয়।

আর মেয়েটিকে ছেলেপক্ষ দেখতে আসার পর থেকে আজীবন সব জায়গায় বিব্রত হতে হয়।

আপনাদের প্রেরণা আমার মানসিক শক্তি / নাগরিক সাংবাদিক বাংলাদেশ

নাগরিক সাংবাদিক বাংলাদেশ
নাগরিক সাংবাদিক বাংলাদেশ
আমার সবচেয়ে বড় দুর্বলতা আমার আর্থিক দুর্বলতা। আমার সবচেয়ে বড় শক্তি আমার মানসিক শক্তি। আমার আর্থিক দুর্বলতা আমার মানসিক শক্তির কাছে হেরে গিয়ে একদিন আমি সফল হবোই। পিছু হটবোনা আর্থিক দুর্বলতার ভয়ে জয়ের নেষা থেকে। জয় একদিন আমার হবেই।
আপনাদের পেরনা আমার মানসিক শক্তি। এই পেরনা অব্যাহত থাকতে আমার একদিন আকাশটাকে ছোয়া খুব একটা কঠিন হবেনা। আমি আমার বিশ্বাসের উপর শতভাগ আশাবাদী। আমার বিশ্বাস আপনাদের পেরনায় আমার মানসিক শক্তির দ্বারা খুব শিঘ্রই জয় আমার হবে আর্থিক দুর্বলতাকে লাথি মেরে। সেই দিনটা খুব একটা দূুরেনা।

মাধবপুর ষ্টেডিয়াম অবহেলিত,বিলুপ্তির মুখে,ধ্বংসের পথে-নাগরিক সাংবাদিক অ্যালেন শান্ত আহমেদ

মনোযোগ সহকারে সবটা পড়ার জন্য বিনীত অনুরোধ রইলো.......
নাগরিক সাংবাদিক অ্যালেন শান্ত আহমেদ
নাগরিক সাংবাদিক অ্যালেন শান্ত আহমেদ
মাধবপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী মাধবপুর ষ্টেডিয়াম মাঠ।যেই মাঠ এখন অবহেলিত, বিলুপ্তির মুখে,ধ্বংসের পথে।মাধবপুর উপজেলার মধ্যে একমাত্র এই মাঠটি সবচেয়ে আকর্ষণীয়। কিন্তু সবার চোখের সামনে এটি বিলুপ্তি হচ্ছে,কেউ একটিবার নজর দিচ্ছে না।মাধবপুর সামাজিক সংগঠন জাগো নবীন ক্লাব থেকে কঠোর পরিশ্রম করে বার বার মাঠটি ঠিক করা হচ্ছে।একদিন,দুইদিন,কতদিন বা এভাবে চলবে।যখন মাঠটি ঠিক করা হয় তখন দখলদার গুলো দখল করার জন্য উঠে-পড়ে লেগে যায়,জোর কাটায়,হুমকি দেয়।মাঠে ১দিন বৃষ্টি হলে ৭দিন মাঠে পানি জমে থাকে।খেলার মত কোন অবস্থায় থাকে না।মাঠে কোন টুর্নামেন্ট ছাড়া যায়।টুর্নামেন্ট ছাড়ার পর মাঠটি কঠোর শ্রম দিয়ে ঠিক করলেও বেশিদিন খেলানো সম্ভব হয় না।মাঠে বসার জন্য ভালো একটা জায়গা নেই।যাই হোক ছোট-কাটো একটি গ্যালারী করা হয়েছিল,কিন্তু এটাতে উঠার জন্য কোন সিঁড়ি নেই,কেউ উঠতে পারে না,বসে খেলা দেখবে সেটাও পারছে না।মাধবপুর উপজেলার মধ্যে এমন অনেক লোকই আছে, যারা চাইলেই পারে মাঠটি নির্মাণ করতে।আপনাদের সবার কাছে অনুরোধ রইলো দয়া করে দৃষ্টি আকর্ষণ করবেন মাঠটার দিকে, একটু ভালো করে গুরুত দিবেন কথাগুলি।মাধবপুর পৌরসভা,সকল নেতাকর্মী, এলাকাবাসী ও প্রিয় বড় ভাইরা সবাই এগিয়ে আসুন মাঠটি বাচাতে।সবাই চাইলেই এটা সম্ভব।মাঠটি সুন্দর করে নির্মাণ হলে,এলাকার ছেলেরা খেলা-ধুলায় থাকতে পারবে,তাতে করে মাদক থেকে বিরত থাকবে।
অনুরোধ-ক্রমে: জাগো নবীন ক্লাব


মাধবপুর ষ্টেডিয়াম অবহেলিত,বিলুপ্তির মুখে,ধ্বংসের পথে-নাগরিক সাংবাদিক অ্যালেন শান্ত আহমেদ

মাধবপুর ষ্টেডিয়াম অবহেলিত,বিলুপ্তির মুখে,ধ্বংসের পথে-নাগরিক সাংবাদিক অ্যালেন শান্ত আহমেদ

মাধবপুর ষ্টেডিয়াম অবহেলিত,বিলুপ্তির মুখে,ধ্বংসের পথে-নাগরিক সাংবাদিক অ্যালেন শান্ত আহমেদ

মাধবপুর ষ্টেডিয়াম অবহেলিত,বিলুপ্তির মুখে,ধ্বংসের পথে-নাগরিক সাংবাদিক অ্যালেন শান্ত আহমেদ

মাধবপুর ষ্টেডিয়াম অবহেলিত,বিলুপ্তির মুখে,ধ্বংসের পথে-নাগরিক সাংবাদিক অ্যালেন শান্ত আহমেদ

শুধু আমার গল্প না, আমাদের নার্সিং প্রফেশনের গল্প - হৈমন্তী

আজ আমার নাইট ডিউটি। আমি যখন নাইট এ আসি সারা রাত জাগার প্রস্তুতি নিয়ে আসি। তাই আজ ও তার ব্যতিক্রম হয়নি। রাত একটা ইন্টারকমটা বেজে উঠলো। আমি রিসিভড করলাম। ইমার্জেন্সী থেকে ফোন আসছে। বুঝতেই পারছেন নতুন পেসেন্ট আসছে। ইমার্জেন্সী থেকে বললো আপু মেডিসিনে একটা বেড রেডি করেন তারাতারি। পেসেন্ট খারাপ আছে। আমি খালাকে বলে বেডটা রেডি করলাম। পেসেন্ট আসতে আসতে রাত দুইটা। আমি ইন্টার্নিকে কল করলাম। ইন্টার্নি ভাইয়া আসলো মেডিসিন অর্ডার গুলো দিলো। এই সব কাজ শেষ হতে হতে রাত তিনটা বেজে গেছে। এখন আমি অপেক্ষা করছি ওরা কখন মেডিসিন নিয়ে আসবে? আর আমি মেডিসিন গুলো দেব। আমি নিশ্চিত যে আমার কাজ শেষ করতে করতে সারে চারটা বাজবে। এরপর কিন্তু সকাল ছয়টায় উঠে আমার সব পেসেন্টের কাজ করতে হবে। আর এর মাঝে কোনো পেসেন্ট ডাকলে যদি যেতে এক মিনিট দেরি হয় তাহলে বিভিন্ন রকম কথা শুনতেই হবে। এরপর ও আমি চেষ্টা করব কারো সাথে যেন খারাপ ব্যবহার করে না ফেলি।
:
কিন্তু পেসেন্টের সাথের লোক গুলো এমন যেন ওরা মনে করে আমি একটা মেসিন বলার সাথে সাথেই সব কাজ হতে হবে। আরে ভাই আমি ও একটা মানুষ। আমার ও কষ্ট হয়।

আর এটা শুধু আমার একার গল্প না। এটা আমাদের গল্প। আমাদের নার্সিং প্রফেশনের গল্প।

দেখেন দাদু তার কাজ করে শুয়ে পরেছে। খালাও তার কাজ করে শুয়ে পরেছে। এমন কি ইন্টার্ন ডক্টর ও গিয়ে শুয়েছে। কিন্তু আমাকে কিন্তু সেই প্রথম থেকে এখন পর্যন্ত কোনো না কোনো কাজ করতে হচ্ছে। আর এই গুলা আমাদের করতে হয় । আর এটাই আমাদের জীবন।

তাই আমি সবাইকে বলব আমাদের কোনো ব্লেম দেয়ার আগে অন্তত একটি বার ভাববেন!!!

লেখকঃ হৈমন্তী